× প্রচ্ছদ জাতীয় সারাদেশ রাজনীতি বিশ্ব খেলা আজকের বিশেষ বাণিজ্য বিনোদন ভিডিও সকল বিভাগ
ছবি ভিডিও লাইভ লেখক আর্কাইভ

দুর্যোগ মোকাবিলায় বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগ সারাবিশ্বে প্রশংসিত

মো. নূর ইসলাম খান অসি

১১ মে ২০২২, ১৮:১০ পিএম

প্রতীকী ছবি

সরকারি নথি থেকে দেখা যায়, প্রকৃতপক্ষে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে  ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’ (সিপিপি) গঠন  করা বঙ্গবন্ধুর একটি সাহসী উদ্যোগ ছিল। আন্তর্জাতিক  রেড ক্রসের আর্থিক সঙ্কটের প্রাক্কালে স্বাধীন বাংলাদেশের মাত্র এক বছর ছয় মাস বয়স অতিক্রমকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু আর্থিক পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’ (সিপিপি)’র কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন।

১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে প্রায় দশ লাখ মানুষ প্রাণ হারায় এবং ব্যাপক সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই ঘূর্ণিঝড়ে কমপক্ষে এক ঘন্টা ধরে তাণ্ডব চলে, এতে লাখ লাখ মানুষের ঘরবাড়ি, সম্পদ ও গৃহপালিত পশু-পাখি ধ্বংস হয়। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই ঘূর্ণিঝড়ের ভয়ানক এবং বিধ্বংসী শক্তি দেখে কেঁপে উঠেছিল। এটি বাঙালি জাতির জন্য একটি বিয়োগান্তক ইতিহাসও ছিল।

১৭ ডিসেম্বর ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচনের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের অত্যাচারী শাসক গোষ্ঠী। ঘূর্ণিঝড়ে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি দেখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিস্মিত ও ভীষণভাবে মর্মাহত  হয়েছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের জন্মের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুননির্মাণে তাঁর আন্তরিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে শীঘ্রই দেশের উপকূলীয় অংশে ঘূর্ণিঝড় ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করেন। যেখানে বার বার ক্ষমতাশালী বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের তান্ডবে বিপুল সংখ্যক জীবন ও সম্পদেরহানী হচ্ছে।

বাংলাদেশের উপকূলীয় অংশে আগের যুগেও বিভিন্ন মাত্রার প্রায় শতাধিক ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছিল। যার মধ্যে ১৫ থেকে ২০টি ঘূর্ণিঝড় অত্যন্ত শক্তিশালী ছিল। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৬২, ১৯৬৩ ও ১৯৬৫ সালে আঘাত করা তিনটি ঘূর্ণিঝড় ভীষণভাবে তান্ডব চালিয়েছিল, এতে প্রায় এক লাখ লোক নিহত হয়। তিনটি বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের ফলস্বরূপ ১৯৬৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সাইক্লোনে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান করার জন্য লীগ অফ রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিকে নির্দেশ দিয়ে একটি রেজলুশ্যনের করা হয়।

১৯৭০ সালের ঘূর্ণিঝড়ে ধ্বংসলীলা, নিষ্ঠুর তান্ডব এবং উপকূলীয় মানুষের আহাজারি বঙ্গবন্ধুর হৃদয়ে দাগ কাটে। তিনি উপকূলীয় অঞ্চলে ঘূর্ণিঝড়ের বিধ্বংসী প্রভাব ভুলে যাননি, এর ফলস্বরূপ বঙ্গবন্ধু লীগ অফ রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি এবং তৎকালীন বাংলাদেশ রেড ক্রসের সহায়তায় ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’ (সিপিপি) গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেন।

১৯৭০ সালে ১২ নভেম্বর ইতিহাসের    মহাপ্রলয়ঙ্করী  ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পর ইউনাইটেড জেনারেল এ্যসেম্বলি (জাতিসংঘ) এর আহবানে ১৯৭১ সালে জুন মাসে লীগ অব রেড ক্রস বর্তমানে ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব রেড ক্রস এন্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ (ওঋজঈঝ) এর সুইডিস ডেলিগেট মিঃ ক্ল্যাস হেগস্ট্রম এবং তৎকালীন বাংলাদেশ রেড ক্রস সোসাইটির  ৫জন সহকর্মীর সহযোগিতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলার ২৮টি উপকূলীয় জেলায় ১৯৫টি ইউনিয়নের ২০৪৩টি ইউনিটের ২০৪৩০ জন স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’ (সিপিপি) প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

১৯৭২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার চর হেয়ারে কয়েক হাজার স্বেচ্ছাসেবকের উপস্থিতিতে তৎকালীন ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী এবং স্থানীয় সরকার ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মতিউর রহমান বাংলাদেশ রেড ক্রস সোসাইটির চেয়ারম্যান গাজী গোলাম মোস্তফা,এমপি এর উপস্থিতিতে ‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’ (সিপিপি) আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু। এক বছরান্তে লীগ অব রেড ক্রস এন্ড রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ ৩০ জুন ১৯৭৩ সালে মাঠ পর্যায়ে কর্মসূচি প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় এবং বাংলাদেশ সরকারকে এর দায়িত্বভার গ্রহণের অনুরোধ জানান। 

এর প্রেক্ষিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর নেতৃত্বাধীন তৎকালীন সরকার স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক রেড ক্রস প্রতিনিধির সাথে দীর্ঘ আলোচনান্তে উপকূলীয় জনসাধারণের দুর্যোগে বিপদ ও ঝুঁকি এবং কর্মসূচির গুরুত্ব বিবেচনা করে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’ সিপিপি’র দায়িত্ব গ্রহণে সম্মত হন এবং ১ জুলাই ১৯৭৩ হতে কর্মসূচিটি পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। যা পরবর্তিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন লাভ করে।

‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’ (সিপিপি)’র শুরুতে এটির সাংগঠনিক কাঠামো কার্যকর ও টেকসই করতে এর সঙ্গে একটা গবেষণা কর্মসূচির প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল। গবেষণা ফলাফলের ভিত্তিতে অল্পবয়সী ছেলে-মেয়েদের চালিকা শক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে বলা হয়েছে। যা কমিউনিটি ভিত্তিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ম নির্মাণের ক্ষেত্রে গুরুত্ব নিশ্চিত করবে।

‘ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি’ (সিপিপি)’র  মানবিক সহায়তা প্রসারিত করতে প্রাথমিক পর্যায়ে ২০ হাজার ৪৩০জন স্বেচ্ছাসেবককে অনুপ্রাণিত করার জন্য বঙ্গবন্ধুর প্রতিশ্রুত আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে। বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের সহায়তায় উপকূলীয় অঞ্চলে স্থানীয়ভাবে ‘মুজিবকিল্লা’ (উঁচু মাটির ঢিবি) হিসেবে পরিচিত আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপন করেছেন। যেখানে মানুষ নিজে ও তাদের গৃহপালিত পশু-পাখি নিয়ে আশ্রয় নিতে পারে। বঙ্গবন্ধুর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে গৃহিত এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিকভাবে মডেল হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছিল, যা এখনো মাইলফলক হয়ে আছে।

১৯৭০ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রায় ১০ লক্ষ মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যূর পর উপকূলীয় নিম্নআয় শ্রেণীভূক্ত অধিবাসীদের জান-মাল উক্ত অঞ্চলের জীব-বৈচিএ্য ও সার্বিক পরিবেশের ধ্বংসের ক্ষয়ক্ষতি লাঘব করার লক্ষ্যে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কিত একটি সার্বিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনার উদ্দেশ্যে তৎকালীন লীগ অব রেডক্রস ব্যাপক জরিপ ও গবেষণার পর ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

১৯৭২ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার চর হেয়ারে ২০,৪৩০ জন স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) প্রতিষ্ঠা লাভ করে, বর্তমানে সিপিপি-তে বর্তমানে ৭৬,১২০ জন স্বেচ্ছাসেবক-স্বেচ্ছাসেবিকা ( মহিলা-৩৮,০৬০ জন এবং পুরুষ -৩৮,০৬০ জন) ও ১৪৬টি ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক সমন্বয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ১০ লক্ষ হতে এখন মৃত্যুর হার একক ডিজিটে নামিয়ে এনেছে।

ভৌগলিক অবস্থান, জনসংখ্যার আধিখ্য,অসচেনতা,অসাবধানতা প্রভৃতি কারণে বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। এই দুর্যোগের কারণে প্রতি বৎসর বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক জীবন,সম্পদ ও প্রাকৃতিক পরিবেশের ক্ষতি সাধিত হচ্ছে।

উদাহরণস্বরূপ : ১৯৬০, ১৯৬৫, ১৯৭০, ১৯৯১, ১৯৯৭, ১৯৯৮, ২০০৭, ২০০৯, ২০১৩, ২০১৫, ২০১৬, ২০১৭, ২০১৯ এবং ২০২০ এ সংঘটিত প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়সমুহ সমগ্র বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণ করে। বিশেষতঃ ২০০৭ সালে সংঘটিত সিডর, ২০০৯ সালে আইলা,২০১৬ সালে রোয়ানো , ২০১৭ সালে মোরা ও ২০২০ এ সংঘটিত আম্পান ঘূর্ণিঝড় ৫টির ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ডের প্রভাব অদ্যাবধি নিরসন করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি) সরকারের জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমের আওতায় ধারাবাহিক কর্মসূচির ৭৬,১২০ জন স্বেচ্ছাসেবককে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ দিয়ে উপকূলীয় এলাকায় প্রায় ৮কোটি জনগণকে জলবায়ু অভিযোজনের কারণে সম্ভাব্য ক্ষয়/ক্ষতি সর্ম্পকে সচেতনকরাসহ করণীয় সম্পর্কে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

মানুষের পক্ষে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ বা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। তবে দুর্যোগের পূর্বে ব্যাপক প্রস্তুতি জনসচেতনতা সৃষ্টি, দুর্যোগ চলাকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে তদনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে দুর্যোগে জীবন ও সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমিয়ে আনা  সম্ভব।

দক্ষ জনবল ও স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে দুর্যোগে পূর্ব প্রস্তুতির কারণে জীবন-সম্পদ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় এবং সামাজিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অগ্রগতি বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করতে বিশেষ অবদান রাখছে। ফলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর “সোনার বাংলা”,দেশরত্ন মানবতার জননী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ এবং ২০৪১ সালে বিশ্বের অন্যতম উন্নত দেশের মর্যাদা লাভ করবে। এজন্য সকলকে সততা, আত্মবিশ্বাস, আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে দেশ এবং জাতির কল্যাণে নিজেকে নিয়োগ করতে হবে।

জাতির পিতার নির্দেশিত পথে দক্ষ জনবল ও স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে দুর্যোগে পূর্ব প্রস্তুতির কারণে জীবন-সম্পদ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় এবং সামাজিক ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অগ্রগতি বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করতে বিশেষ অবদান রাখছে। ফলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর “সোনার বাংলা”, ‘দেশরত্ন’ ও ‘মানবতার জননী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’, ২০২১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে বিশ্বের অন্যতম উন্নত দেশের মর্যাদা লাভ করবে। এজন্য সকলকে সততা, আত্মবিশ্বাস, আন্তরিকতা ও দক্ষতার সাথে দেশ এবং জাতির কল্যাণে নিজেকে নিয়োগ করতে হবে।

লেখক: পরিচালক (অপারেশন) ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি), দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার 

Sangbad Sarabela

সম্পাদক: আবদুল মজিদ

প্রকাশক: কাজী আবু জাফর

যোগাযোগ: । 01894-944220 । sangbadsarabela26@gmail.com

ঠিকানা: বার্তা ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ : বাড়ি নম্বর-২৩৪, খাইরুন্নেসা ম্যানশন, কাঁটাবন, নিউ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা-১২০৫।

আমাদের সঙ্গে থাকুন

© 2022 Sangbad Sarabela All Rights Reserved.